বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর পর তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জনসভার জন্য ৬৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪৪ ফুট প্রস্থের এক বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, আজকের এই সমাবেশ ময়মনসিংহের ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজকের এই জনসভা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীদের এক মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেবেন এবং তাঁদের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট চাইবেন। দলকে বিজয়ী করতে এবং আগামী দিনের পথচলায় নেতাকর্মীদের বিশেষ দিকনির্দেশনা দেবেন তিনি।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম জানান, চার জেলা ছাড়াও ময়মনসিংহ মহানগর, দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার নেতাদের সঙ্গে একাধিক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মূল মঞ্চের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। জনসমাগমের কথা বিবেচনায় সমাবেশস্থলের বিভিন্ন পয়েন্টে এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে। নারী উপস্থিতির সুবিধার্থে আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
শরীফুল আলম আরও জানান, সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারেক রহমান ময়মনসিংহে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন। প্রায় ২২ বছর পর তার আগমন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সার্কিট হাউস মাঠসহ পুরো শহর জনসমুদ্রে রূপ নেবে। মাঠে সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং পুরো সমাবেশস্থল সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে অনুমতির আবেদন করা হয়েছে এবং তারা সার্বিক সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।
আজকের জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন। নেতাকর্মীরা জানান, তারেক রহমানের দেওয়া দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষকে জয়ী করতে তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন। জনসভাকে ঘিরে পুরো ময়মনসিংহ শহর এখন ব্যানার, ফেস্টুন আর তোরণে ছেয়ে গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...