বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা সদরের কলেজ মোড় বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বৈষম্যহীন ও ইনসাফ কায়েমের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “৫ই আগস্টের আগপর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দুঃখ-কষ্ট পাওয়া দল হলো জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু ৫ তারিখের পর আমরা প্রতিটি ধর্ম ও শ্রেণির মানুষের কাছে গিয়েছি, তাদের আশ্বস্ত করেছি যে—এ দেশে সবাই সমান এবং সবার অধিকারও সমান। আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি হিংসামুক্ত ও ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। কোনো জালিমকে আর কারও দিকে হাত বাড়াতে দেব না।”
তিনি আরও যোগ করেন যে, অতীতে জামায়াতের ওপর যত জুলুম হয়েছে, দলের পক্ষ থেকে তা ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে এবং জামায়াত তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে।
রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার তাগিদ দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ধোঁকাবাজি, ব্যাংক ডাকাতি কিংবা শেয়ারবাজার লুটপাটের রাজনীতি জামায়াতে ইসলামী কখনো সমর্থন করে না। এ সময় তিনি মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমাবেশের একপর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে ১০ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াত প্রার্থী মাওলানা মো. আব্দুল হামিদকে জনসাধারণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। প্রার্থীর হাত উঁচিয়ে ধরে তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, “আমি এই তাঁর হাতটি উঁচু করে ধরলাম—আপনারাও তাঁর বিজয়ের জন্য ময়দানে লড়বেন।”
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই মুকসুদপুর কলেজ মোড় ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। নেতা-কর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। জামায়াত আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে মুকসুদপুর থানা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...