বিজ্ঞাপন
সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংঘর্ষপ্রবণ হিসেবে পরিচিত এই উপজেলায় সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে জনমনে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অনেক ভোটার জানান, সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর তারা আগের তুলনায় বেশি নিরাপদ বোধ করছেন এবং নির্বিঘ্নে নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে সেনা সদস্যদের নিয়মিত টহলে নারী ও প্রবীণ ভোটারদের নিরাপত্তা বোধ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত কয়েকদিন ধরে সালথা উপজেলার আটটি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাজুড়ে সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলছে। বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, কাভার্ডভ্যানসহ নানা ধরনের যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এ সময় যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগপত্রও তন্নতন্ন করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মাদক ও অবৈধ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সালথা আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বশীল সেনা কর্মকর্তারা জানান, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের আধিপত্য বিস্তার বা সহিংসতার চেষ্টা হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলেও জানান তারা। ইতোমধ্যে সংঘর্ষপ্রবণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনী সময়ে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা, দৃঢ় অবস্থান এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরাও সংযত আচরণে বাধ্য হবে বলে তারা মনে করছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক রাখতে সেনাবাহিনীর এই দায়িত্বশীল ভূমিকা নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...