বিজ্ঞাপন
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে আদালত অভিযুক্ত ২১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ৯টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের সময় ভুয়া কাগজপত্র প্রদর্শন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, শিক্ষকদের নামের জাল নথিকে সঠিক দেখিয়ে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এই অভিযোগে ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর দুদকের কেন্দ্রীয় দপ্তরের উপ-পরিচালক ও বরিশালের সাবেক সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দুদক কর্মকর্তা রাজ কুমার সাহা ওই ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন— কল্যানী দেবনাথ, পুতুল রানী মন্ডল, সাবরিন জাহান, সুরাইয়া সুলতানা, গোলাপি রানী, কাওসার হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, সুবর্ণা আক্তার, ফাতেমা তুজ জোহরা, রেশমা আক্তার, রোকসানা খানম, শহিদুল ইসলাম, রাহিমা খাতুন, আক্তার হোসেন (খোকন), মনির হোসেন, রেহেনা পারভিন, শামসুন্নাহার, নাসরিন, আখতারুজ্জামান মিলন, মনিরুজ্জামান এবং আহসান হাবিব।
জাতীয়করণের সুযোগ নিয়ে সরকারি অর্থ লোপাটের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...