বিজ্ঞাপন
সায়মুন আমান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখেন, “আমি সায়মুন আমান, ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের ৭ নম্বর পৌরসভার সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করলাম।” এই ঘোষণার ঠিক ১৪ মিনিট পর অপর এক পোস্টে তিনি আসন্ন নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়ে লেখেন, “তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক।”
দল পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সায়মুন আমান জানান, তিনি ২০১৭ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘ সময় রাজপথে থেকে দলের সকল কর্মসূচি সফল করতে কাজ করেছেন। তবে তার অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
সায়মুন আমান আরও দাবি করেন, “বর্তমানে যারা আগে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল, এমন আত্মীয়-স্বজনদের বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে রাখা হচ্ছে। ত্যাগীদের যদি মূল্যায়ন না করা হয়, তবে সেখানে রাজনীতি করার কোনো সার্থকতা নেই।” এই অভিমান থেকেই তিনি জামায়াতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
সায়মুন আমানের দল ত্যাগের বিষয়ে ঝালকাঠি পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন রানা ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেন, “সায়মুন আমান পারিবারিক সূত্রেই আগে থেকে জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তার বাবাও জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তার পদত্যাগের ফলে সাংগঠনিক কোনো ক্ষতি হবে না এবং শূন্য পদে শিগগিরই নতুন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...