বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ফরিদপুর সিএনবি ঘাট থেকে আনুমানিক ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের ৩৮ দাগসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর এসিল্যান্ড (ভারপ্রাপ্ত) জনাব শফিকুল ইসলাম এবং ফরিদপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন। অভিযানে ফরিদপুর জেলা পুলিশ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দল অংশ নেয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, একদল অসাধু চক্র সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে। এর প্রেক্ষিতে ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অভিযান চলাকালীন অবৈধ কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ করা হয় এবং উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করা হয়।
অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙন ও পরিবেশগত বিপর্যয় বাড়ছে। জনস্বার্থে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নদী তীরের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং নর্থচ্যানেলের স্থায়ী সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকির দাবি তুলেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...