বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধির ৩ নম্বর গেটে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রার্থনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, “আমাদের অনেক হিতাকাঙ্ক্ষী মানুষ আছেন যারা নির্বাচন করতে চেয়েও নানা বাধার কারণে পারেননি। আমাদের এক অত্যন্ত আপনজন মনোনয়নপত্র কিনতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। আরও দুইজন সনাতন ধর্মের মানুষ বাধার কারণে মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। তারা আমাকে অনুরোধ করেছেন যেন আমি প্রার্থী হই, যাতে তারা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এখানে ভোটারদের নানাভাবে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির ভয় দেখানো হচ্ছে।” সবাইকে ভোটের উৎসবে শামিল করতেই তিনি নির্বাচনে এসেছেন বলে জানান।
নির্বাচনী পরিবেশে একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতার (বিএনপি প্রার্থী) ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, “তিনি চান এককভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে। এ কারণে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি সবাইকে নিয়ে সমালোচনা করছেন, যা একটি উৎসবমুখর পরিবেশের অন্তরায়। ওনার উচিত ছিল বড় উদার হৃদয় নিয়ে সকল প্রার্থীকে সহযোগিতা করা এবং ভোট যুদ্ধে আসার আহ্বান জানানো।”
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি তার নির্বাচনী প্রতীক ‘ঘোড়া’ মার্কার লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করেন।
গণসংযোগকালে তার সঙ্গে হিন্দু মহাজোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...