Logo Logo

রাজশাহীতে তারেক রহমান

নির্বাচন বানচালের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে


Splash Image

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণই নির্ধারণ করবে দেশ কোনদিকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একটি মহল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে তিনি দেশবাসীকে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে তারেক রহমান এক হাজার কোটি টাকার থমকে যাওয়া ‘পদ্মা সেচ প্রকল্প’ পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু করে সুদূর পঞ্চগড় পর্যন্ত প্রতিটি কৃষকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল। কিন্তু গত ১৬ বছরে ১,০০০ কোটি টাকা বাজেটের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো একে পূর্ণ শক্তিতে সচল করা। উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে বাংলাদেশ।”

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীদের দুর্দশা লাঘবে তিনি বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। এতে চাষীরা নায্যমূল্য পাবেন এবং আম পচে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। যাতায়াত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি পদ্মা নদীর ওপর একটি নতুন ‘পদ্মা ব্রিজ’ নির্মাণেরও প্রতিশ্রুতি দেন, যা উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য তারেক রহমান প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন, যা তাদের স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে।

দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের উপস্থিতি (প্রেক্ষাপট অনুযায়ী) নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। তিনি দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন উন্নয়নের এই বার্তা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে। তার মতে, ‘ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’

রাজশাহী বিভাগের আট জেলা থেকে আসা লক্ষাধিক মানুষের সমাগমে মাদ্রাসা ময়দান ছাড়িয়ে পুরো মহানগরী কার্যত অচল হয়ে পড়ে। নেতা-কর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে জনসভাস্থল মুখরিত করে রাখেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...