বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ) বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সভায় কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ছাদেকা হক, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন অর রশিদ এবং ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তুষারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, তারেক রহমান শতাধিক সামাজিক কাজকে একটি কার্ডের আওতায় আনছেন। সেটিই ফ্যামিলি কার্ড।তারা প্রশ্ন করে তারেক সাহেবের পরিকল্পনা নিয়ে এবং বলে সব পরিকল্পনা তো বাজেটের সাথে সাংঘর্ষিক। কিন্তু তারা জানেই না দেশে একশত ত্রিশের অধিক সামাজিক কর্মসূচি রয়েছে। গত ১ বছর যাবৎ বিশ্লেষণ করে তারেক রহমান এসব পরিকল্পনা সাজিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সেটার রূপরেখা দেশবাসী জানবে।
তিনি এসময় আরও বলেন, তথাকথিত ইসলামী দল গ্রাম পর্যায়ে ধর্মকে এমনভাবে ব্যবহার করছে। যেন ৫ আগস্টের আগে যে ইসলাম ছিল সব মনে হয় ভুল ছিলো। পরে এসে নতুন দল নতুনভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে নেমেছে। নতুন ভাবে ইসলামী গণতন্ত্র কায়েম করবে। আমেরিকা নাকি তাদেরকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।
শিবিরের সমালোচনা করে করে বলেন, শিবির নাকি গণতান্ত্রিক দল। কিন্তু দেখে থাকবেন তাদের সেক্রেটারি সবসময় সভাপতি হয়। এর ব্যত্যয় কখন দেখা যায়নি। তাহলে তারা কেমন গণতান্ত্রিক দল?।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির বা জামাত করতে হলে কিছু শর্ত আছে। যেমন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এরপর গালিগালাজের ট্রেনিং নিবে। আপনি বোঝেন বা না বোঝেন ২টা গালি দিয়ে ঘুমাতে হবে। অথবা নামাজে যাওয়ার আগে ১০টি কমেন্টে গালি দিতে হবে। এছাড়া জামাত ইসলাম কিংবা ছাত্রশিবির করা সম্ভব নয়।
শেরপুরের সংঘর্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, 'জামাত নেতা যিনি মারা গিয়েছে তার জন্য সমবেদনা জানাচ্ছি। কিন্তু এটি ছিল দুই পক্ষের সংঘর্ষ। প্রথম হামলা করল জামাত। পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, বিএনপির নেতৃবৃন্দ তাদেরকে অনুরোধ করার পরেও তাদের খামখেয়ালিতে এমন দুর্ঘটনা হয়েছে। প্রথমে মাঠ থেকে মেরে বিএনপিকে তাড়িয়ে দেয় । তখন তারা বসে হাসাহাসি করছিলো।
ডাকসু নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'শেরপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডাকসু নেতারা নিচু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। যেকোনো একটা ঘটনা ঘটলে তারা রেডি হয়ে থাকে অপপ্রচারের জন্য। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়েও তারা বিএনপি চেয়ারম্যানসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের নামে অশ্লীল ও নোংরা স্লোগান দিয়েছে। যদি আমাদের শীর্ষ নেতার নামে এমন চলতে থাকে আমরা ছাত্রদল একক ভাবে সেটি প্রতিহত করবো। এতে যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয় ছাত্রদল তা করবে। আপনাদের দায়িত্বহীন ও ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার বক্তব্য পরিহার করতে হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...