বিজ্ঞাপন
সমাপনী বক্তব্যে ইসি সানাউল্লাহ উল্লেখ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারির সকালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ‘শুভ সকাল’ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় এ নির্বাচন জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর ভাষায়, নির্বাচন কমিশনের একমাত্র কমিটমেন্ট ছিল নির্মোহভাবে আইন প্রয়োগ করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই শতভাগ চেষ্টা করা হয়েছে।
নির্বাচন পরিচালনায় কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তা অনিচ্ছাকৃত বলে উল্লেখ করেন সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব ছিল না, বরং একটি ‘পবিত্র আমানত’ হিসেবে কমিশন তা গ্রহণ করেছিল। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে নির্বাচন ঘিরে বিদ্যমান আশঙ্কা দূর হয়েছে এবং একটি ইতিবাচক বার্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি অভিমত দেন।
দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, জনগণ ঈদ উৎসবের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। ভোটকেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখায় সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, প্রশাসনের সদস্য, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এবং বিএনসিসির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র যেন কখনোই নির্ধারিত রেলপথ থেকে বিচ্যুত না হয়— সেই প্রত্যাশা সবার। ভবিষ্যতে আরও ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই মূল্যায়ন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থার বার্তা বহন করে। একই সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আগামী নির্বাচনী সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...