বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাত পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের হারিয়ে সবকটি আসনেই আধিপত্য বজায় রেখেছে দাঁড়িপাল্লা। সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ভোটের চিত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে জামায়াতের ইজ্জত উল্যাহ ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট। সাতক্ষীরা-২ (দেবহাটা-সদর) আসনে মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছেন বিএনপির আব্দুর রউফকে (১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট)। সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে ত্রিমুখী লড়াই হলেও ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের রবিউল বাশার। এখানে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন ফুটবল প্রতীকের ডা. শহিদুল আলম (৯৩,৮৩৪ ভোট) এবং তৃতীয় হয়েছেন বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন। সর্বশেষ, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনেও শেষ হাসি হেসেছেন জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বিএনপির ড. মো. মনিরুজ্জামানকে (৮৪,৪২৪ ভোট) পরাজিত করেছেন।
নির্বাচন পরবর্তী ব্রিফিংয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ্ আফরোজা আক্তার জানান, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পর্যায় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল যাচাই-বাছাই শেষে এই বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, যা শীঘ্রই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ভোটাররা আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের সুচিন্তিত রায় ব্যালটের মাধ্যমে প্রদান করেছেন, যার প্রতিফলন ঘটেছে এই ফলাফলে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...