বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের সঙ্গে একই সময়ে তাঁরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম দফার শপথ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই রুমিন ফারহানা সভাস্থল ত্যাগ করেন। একইভাবে ইশরাক হোসেন জামায়াতের সংসদ সদস্যদের সাথে সাধারণ এমপি হিসেবে শপথ নিলেও পরবর্তী সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যপদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি বর্জন করেন।
উল্লেখ্য, আজ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপির কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধিই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেননি। এই কার্যক্রম শুরুর আগেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন যে, তারা আজ এই বিশেষ পরিষদের শপথ নেবেন না।
সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর বক্তব্যে যুক্তি দেন যে, নবনির্বাচিত সদস্যরা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, তবে 'সংবিধান সংস্কার পরিষদ' হিসেবে কোনো পৃথক ম্যান্ডেট এখনও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তিনি নীল ও সাদা রঙের দুটি ফরম প্রদর্শন করে বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী এই পরিষদ গঠন করতে হলে আগে তা সংবিধানে ধারণ করতে হবে এবং শপথের আইনি বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত দুটি শপথই গ্রহণ করেছেন। এই দ্বিমুখী অবস্থানের ফলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের বৈধতা ও গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...