বিজ্ঞাপন
দিবসের শুরুতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম পিপিএম কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সর্বস্তরের মানুষের পুষ্পমাল্য অর্পণে মুখরিত হয়ে ওঠে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ।
শহরের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া মাহফিল।
সদর উপজেলার হাজী চয়েন উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সিরাজুম মনিরা ভোরেরবাণীকে জানায়, আজকের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে সে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে পেরেছে।
ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুজা ইসলাম বলেন, "যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলতে পারছি, তাঁদের অবদান আমরা কখনোই ভুলতে পারি না। যতদিন জীবন আছে, তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ও দোয়া অবিরাম থাকবে।"
দিবসটিকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর ফুলের দোকানগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার এই চেতনা প্রতিটি বাঙালির অন্তরে জাগ্রত থাকুক এবং বাংলা ভাষা বিশ্বের দরবারে শ্রেষ্ঠতম স্থান করে নিক—এমনটাই প্রত্যাশা জেলার সর্বস্তরের মানুষের।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...