Logo Logo

মাদকের ব্যাপারে কোন ছাড় নেই : এমপি ডা. কেএম বাবর


Splash Image

গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, আমাদের অঞ্চলে মাদকের ছড়াছড়ি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি হাই স্কুলের ছেলেরাও এখন 'বাবা' (ইয়াবা) সেবন শুরু করে দিয়েছে। এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না। মাদক যদি আপনার সন্তান কিংবা আমার সন্তানও খায়, কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি আমার নিজের পরিবারের কেউ যদি এর সাথে জড়িত থাকে, তাকেও অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হবে। যারা নিয়মিত মাদক সেবন ও বিক্রি করেন, তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই—মাদকের বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স অবস্থান নিয়েছি।


বিজ্ঞাপন


আজ রবিবার (১৭ মে) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী দশপল্লী নেছারউদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য বলেন, আমি আমার নিজস্ব ইউনিয়ন মাঝিগাতী থেকেই মাদক নির্মূলের মূল কাজ শুরু করতে চাই। ইতিমধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী জোরদার অভিযান শুরু হয়েছে এবং আমার ইউনিয়ন থেকে ৪ জনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতার করেছে।

তিনি এলাকাবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক সম্পর্কে আপনারা সচেতন হন এবং নিজের সন্তানকে বাঁচান। মাদক প্রতিরোধে আমি আপনাদের সাথে আছি। আমি সাথে থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না। অপরাধী যে পরিবারের কিংবা যে বংশের সন্তানই হোক না কেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উত্তম মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রবীণ সমাজসেবক কাজী আবুল হোসেন, মাঝিগাতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুকসুদ আলী খান, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো: কামাল হোসেন খান এবং প্রাক্তন ছাত্র মো: মহব্বত আলী খান। সভায় স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসাদ কুমার মৃধা।

নিজের স্মৃতিবিজড়িত বিদ্যাপীঠের কথা স্মরণ করে সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবার আরো বলেন, এই বিদ্যালয়ে আমি নিজে পড়াশোনা করেছি, এটি আমার নিজের বিদ্যালয়। তাই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে যা যা করা দরকার, তার সবকিছুই আমি করব। এছাড়া অভিভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত সমন্বয়ে এই বিদ্যালয়টিকে জেলার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে সংসদ সদস্য বিদ্যালয়ে এসে পৌঁছালে শিক্ষক মণ্ডলী ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাঁকে জমকালো স্বাগত জানানো হয়। শিক্ষার্থীরা ফুলের পাঁপড়ি ছিটিয়ে এবং শ্লোগানে-শ্লোগানে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেয়। এছাড়া অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ফুল এবং সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে সংসদ সদস্যকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...