বিজ্ঞাপন
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।
সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত এবং ব্যাংকভিত্তিক এর হিসাব কী।
জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ছয়টি ব্যাংক—অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি—এর ৩০ জুন ২০২৬ ভিত্তিক মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এসব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।
ব্যাংকভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণ রয়েছে ৮৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
এ ছাড়া বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার ১৩১ কোটি ৯ লাখ টাকা। জনতা ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ—৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫ হাজার ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া এই হিসাব অনুযায়ী, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ছয় ব্যাংকের মধ্যে এককভাবে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণই মোট খেলাপি ঋণের বড় অংশ। এতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ঋণ ব্যবস্থাপনা ও খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...