বিজ্ঞাপন
কর্মসূচির অংশ হিসেবে মইজ্জ্যারটেক চত্বরের বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; ব্যক্তি, পরিবার ও স্থানীয় পর্যায়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর, দোকানপাট ও আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে নিয়মিত নজর দিতে হবে। বিশেষ করে ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতলসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে বংশবিস্তার করে—এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। কারও বাড়ির আশপাশে মশার প্রজননস্থল দেখা গেলে তা দ্রুত অপসারণ এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিদুয়ানুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেছা, সাবেক চেয়ারম্যান ও কর্ণফুলী উপজেলা সিসিপি টিম লিডার এম. মঈন উদ্দিন, রোটারিয়ান আজিজ।
আরও উপস্থিত ছিলেন চরলক্ষ্যা ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি মনির আহমেদ সওদাগর, ইউপি সদস্য মো. জসীম, সামাজিক সংগঠন ‘মানবতার শেষ আশ্রয়’-এর নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অভিযানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বাড়ি ও কর্মস্থলের আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্যদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...