ছবি: সংগৃহীত।।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে পরিচালক পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান। তবে এখানেই তাঁর লক্ষ্য সীমাবদ্ধ নয়। পর্যাপ্ত সমর্থন পেলে বিসিবির সভাপতি পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান তিনি। দেশের ক্রিকেটে বর্তমানে বিদ্বেষ ও বিভাজনমূলক পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে তামিম জানিয়েছেন, এখন প্রয়োজন আধুনিক মানসিকতার সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। তাঁর মতে, শুধু খেলোয়াড়দের আধুনিক ক্রিকেট খেললেই হবে না, নীতিনির্ধারকদেরও সময়োপযোগী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে।
তামিম বলেন, বর্তমানে যা চলছে তা ক্রিকেটের জন্য মোটেও ইতিবাচক নয়। মানুষ একে অপরকে ছোট করছে, সত্য-মিথ্যা মিশিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। অথচ আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত—কে নতুন চিন্তাধারা আনতে সক্ষম এবং কে এই মুহূর্তে দেশের ক্রিকেটের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। তিনি মনে করেন, পুরোনো চিন্তাভাবনা আঁকড়ে থাকলে ক্রিকেটের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে। নির্বাচিত হলে তিনি আগামী প্রজন্মের জন্য আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। তবে চার বছরের মেয়াদে একসঙ্গে অনেক কিছু করার চেষ্টা না করে, তিনি সীমিত কয়েকটি মূল বিষয়ের ওপর মনোযোগ দিতে চান।
সাবেক এই ওপেনার জানান, সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো পরিকাঠামো উন্নয়ন। খেলোয়াড় ও কোচ থাকলেও, তাদের গড়ে তোলার উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। বর্তমানে একই একাডেমি মাঠে একাধিক দলকে অনুশীলন করতে হয়, যা পর্যাপ্ত নয়। এমনকি বিপিএল বা ডিপিএলের সময়ও এক মাঠে সাত দল প্র্যাকটিস করে। অথচ বিসিবি বিশ্বের অন্যতম ধনী বোর্ড, প্রায় ১৩০ কোটি টাকা এফডিআর থাকা সত্ত্বেও কাউন্টি দলের মতো মানসম্মত পরিকাঠামো নেই। এ অবস্থায় দায়িত্ব পেলে তিনি আগামী চার বছরের মধ্যে এমন সব সুবিধা গড়ে তুলতে চান, যা আগামী ৮-১০ বছর বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাঁর মতে, এটি অনেকটা ব্যবসার মতো—কারখানা না থাকলে উৎপাদন সম্ভব নয়।
২০২১ সালের ৬ অক্টোবর সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচন হয়েছিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যেই নতুন নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসেবে নির্বাচন কমিশন গঠনসহ প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। তামিম মনে করেন, এ নির্বাচনে এমন প্রার্থীকে বেছে নেওয়ার সময় এসেছে, যিনি সত্যিই দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পারবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...