বিজ্ঞাপন
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের হোটেল নায়োরীতে "নির্যাতিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী"-র ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হক রিয়াজ। তিনি অভিযোগ করেন, পিরোজপুর জেলা বিএনপিতে সম্প্রতি যাদের যোগদান করানো হয়েছে, তারা বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের দোসর। এদের মাধ্যমেই বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী গত ১৬-১৭ বছর ধরে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
রেজাউল হক রিয়াজ বলেন, “বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসেন নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দলে ভেড়াচ্ছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমরা যারা রাজপথে ছিলাম, তারা নিজ ঘরে ঘুমাতে পারিনি। মায়ের জানাজায় কিংবা বাবার অসুস্থতায় পাশে থাকতে পারিনি। অথচ আজ যারা আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, তাদেরই দলে স্থান দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সাথে সেন্ট্রাল জেলে জেল খেটেছি। আমাদের সাথে উপস্থিত জেলা বিএনপির সদস্য নেছার শেখকে পিরোজপুর পার্টি অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে তাঁর হাতের নখ তুলে ফেলেছিল হাসিনার পুলিশ বাহিনী। আজ সেই খুনি লীগের সন্ত্রাসীদের দলে পদ দেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমাদের নেতা তারেক রহমানকে হয়তো ভুল বোঝানো হচ্ছে, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে এর লিখিত অভিযোগ দেব।”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পিরোজপুর থেকে হুলারহাট পর্যন্ত যারা দীর্ঘদিন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তাদের এই নব্য আবির্ভাবে ত্যাগী নেতাকর্মীরা এখন প্রাণহানির ঝুঁকিতে রয়েছেন। দলীয় স্বার্থে এসব সুবিধাবাদীদের বহিষ্কারের দাবি জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মো. নেছার শেখ, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বাহাদুর হোসেন, জেলা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. আলী আহমদ মোল্লা, জেলা জাতীয়তাবাদী চালক দলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী মাইনুল হক সাইদুলসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...