বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৬টায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মূল ফটক থেকে তাদের এই ‘পরিভ্রমণ’ বা হাইকিং শুরু হয়।
যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে রোভারদের শুভকামনা জানান জেলা রোভারের সম্পাদক ও গোবিপ্রবি’র ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুবাইর আল মাহমুদ (এ.এল.টি.) এবং গোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মজনুর রশিদ (উডব্যাজার)।
পরিভ্রমণকারীরা গোপালগঞ্জ থেকে শুরু করে বাগেরহাট, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলা হয়ে পটুয়াখালী জেলার পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত মোট ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করবেন। ৫ দিনের এই দীর্ঘ যাত্রায় তারা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশ নেবেন।
এই পরিভ্রমণে অংশ নিয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী— রোভার ইমরান, রোভার অশোক ও রোভার তরিকুল এবং সরকারি মুকসুদপুর কলেজের শিক্ষার্থী রোভার মুরছালিন।
দলনেতা ও গোবিপ্রবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, "পরিভ্রমণ মানে কেবল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া নয়; বিনোদনের চেয়ে এখানে শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পর্যবেক্ষণ বেশি গুরুত্ব পায়। মূলত ‘প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ছয়টি পারদর্শিতা ব্যাজের অন্যতম ‘পরিভ্রমণকারী ব্যাজ’ লাভ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্যই আমাদের এই যাত্রা।"
আরেক পরিভ্রমণকারী রোভার তরিকুল জানান, "পায়ে হাঁটার মাধ্যমে আমরা পরিবেশের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পাই। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে সহায়ক। ঐতিহাসিক স্থাপনা ও স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি এটি আমাদের মানসিক প্রশান্তি ও স্মৃতির ভান্ডারকেও সমৃদ্ধ করে।"
এই পদযাত্রাটি রোভার স্কাউটিংয়ের উচ্চতর যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক সক্ষমতা ও পর্যটন বিকাশে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...