বিজ্ঞাপন
ফেনী-৩ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা স্বাক্ষরিত শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিক তার নির্বাচনী পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার দাখিলকৃত নির্বাচনী হলফনামায় ‘ডা.’ পদবি উল্লেখ করা হয়নি।
শোকজ পত্রে আরও বলা হয়, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩)(খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
এমতাবস্থায় কেন ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারের জন্য বিষয়টি আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান শেষে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না—সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শোকজ নোটিশে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়, বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ফেনীতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শাতে ফখরুদ্দিন মানিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই ঘটনা নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...