বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের দলীয় প্রার্থী মাওলানা নেছার উদ্দিন নাছিরির আয়োজনে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, দেশের মানুষ গত পাঁচ দশক ধরে একই শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখেছে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ পায়নি। যারা বারবার ক্ষমতায় গিয়ে লুটপাট চালিয়েছে, তাদের আবারও ভোট দিলে দুর্নীতির চাকা সচলই থাকবে। তাই দেশের জন্য নতুন কোনো উন্নয়নের গল্প নয়, বরং এই মুহূর্তে রাষ্ট্র পরিচালনায় সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রয়োজন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট ভাঙার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থীদের নিয়ে যে বৃহত্তর ঐক্য হয়েছিল, তা থেকে জামায়াত ক্ষমতার লোভে সরে গেছে। ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’—এই নীতিতে অবিচল না থাকায় তাদের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। ফলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখন এককভাবে ২৬৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহারের মূল অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্রীয় সর্বস্তরে শরীয়াহর প্রাধান্য নিশ্চিত করা। সেই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি দাবি করেন, বিএনপি বা জামায়াত জোট কেউই ইসলামকে রাষ্ট্রক্ষমতায় নিতে চায় না, যা কেবল হাতপাখা প্রতীকের মাধ্যমেই সম্ভব।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুফতি হেদায়েতুল্লাহ আজাদী, মুফতি মোস্তাকুন্নবী, মুফতি তৌহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় জেলা ও উপজেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
জনসভা থেকে বক্তারা ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষে শান্তির প্রতীক হিসেবে হাতপাখা মার্কায় ভোট দিয়ে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...