বিজ্ঞাপন
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ নিজেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ দিতে রাজি হয়েছেন। তিনি জানান, অর্থনীতি পরিচালনা করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল এবং কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে সব কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তিনি নিজেকে একজন বাস্তববাদী মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক কাজ শুরু করলেও তা পূর্ণতা দিয়ে যেতে পারেননি।
নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন নিজের কাজকে ৭০ শতাংশ সফল বলে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অস্থির সময়েও পুলিশ যথেষ্ট ধৈর্য দেখিয়েছে এবং কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। বাংলাদেশের মানুষকে শান্তিপ্রিয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক দেশ বিপ্লবের পর দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে জড়ালেও বাংলাদেশ সুশৃঙ্খল রয়েছে।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সবচেয়ে বেশি নম্বর দিয়েছেন নিজেকে। তিনি দাবি করেন, তিনি ৯৫ শতাংশ সফল হয়েছেন। তার সময়ে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের জন্য অনুদান নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ওয়াকফ প্রশাসনকে পুরোপুরি শৃঙ্খলায় আনতে আরও সময়ের প্রয়োজন ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান অবশ্য স্বীকার করেছেন যে জ্বালানি খাতে তিনি খুব বেশি দৃশ্যমান কিছু করতে পারেননি। সময় এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাবেই এই স্থবিরতা বলে তিনি উল্লেখ করেন। আদানির সঙ্গে চুক্তির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে গেলেও সরকারের ভেতরে অন্যদের পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ায় এই সংস্কারটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। বিদায়ের সময় তিনি এ নিয়ে কোনো তিক্ততা বাড়াতে চাননি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, সরকার থেকে বিদায় নেওয়ার পর তিনি দ্রুতই তার পেশাগত জীবনে ফিরে যাবেন। গত দেড় বছরে সাংবাদিকদের গঠনমূলক সমালোচনা তাকে কাজ করতে সাহায্য করেছে বলে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি অনুরোধ করেন যেন তাকে পরবর্তীতে সাধারণ মানুষ হিসেবে ভুলে থাকা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...