বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশের ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সেসব স্থানে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে আগেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও তিনি ৯০ শতাংশ কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করেন, তবে সুনির্দিষ্টভাবে কতটি কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানো হয়েছে—তার নির্ভুল পরিসংখ্যান দিতে পারেননি। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বুধবার জানানো হবে বলে জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, শুধু সিসি ক্যামেরাই নয়—প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কেন্দ্রে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশে এর আগে কখনও এত বড় পরিসরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়নি। ফলে নির্বাচনকে ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। তবুও যদি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে, সেগুলো মোকাবিলায় আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করে ৮৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের ধারণা, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের একটি বড় অংশ নির্বাচনের সময় নাশকতার উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...