বিজ্ঞাপন
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বাজাউর জেলায় সেনা ও পুলিশের একটি যৌথ নিরাপত্তা চৌকিতে এই আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়।
আইএসপিআর জানিয়েছে, বিস্ফোরক বোঝাই একটি দ্রুতগতির গাড়ি নিরাপত্তা চৌকির সীমানা প্রাচীরে সজোরে ধাক্কা দিলে এই বিস্ফোরণ ঘটে। সেনাবাহিনী এই কাপুরুষোচিত হামলার জন্য ‘ফিৎনা আল খারিজি’ (টিটিপি) গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।
হামলাটি বাজাউরের একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাবে চৌকির আশপাশের ঘরবাড়িগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় ১১ জন নিরাপত্তাকর্মী এবং একজন কিশোরী প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও শিশু ও নারীসহ আরও অন্তত ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা গুলিতে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ বা টিটিপি-এর ১২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকাটিকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে সেখানে তালেবানি শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এই নিষিদ্ধ গোষ্ঠীটির মূল লক্ষ্য।
বিগত কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার হার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সাল ছিল গত এক দশকের মধ্যে দেশটির জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ বছর। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলার হার ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং মোট ৪৪টি বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে।
খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে বর্তমানে পাকিস্তান ভিত্তিক তালেবান গোষ্ঠী টিটিপি এবং বেলুচিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বিএলএ-এর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি চরম উদ্বেগের মুখে পড়েছে।
সূত্র : ডন
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...