বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর একটি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
ডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্র মতে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিএফআইকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো, ২০০৭-০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেন বা সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিতর্কিত ভূমিকা এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের মে মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শেখ মামুন খালেদ ও তাঁর স্ত্রী নিগার সুলতানার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। ওই সময় দুদক তাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত চলার কথা জানিয়েছিল।
শেখ মামুন খালেদ ২০০৭-০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেন সরকারের আমলে ডিজিএফআইয়ের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (সিআইবি) পরিচালক হিসেবে অত্যন্ত প্রভাবশালী দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
এর আগে গত সোমবার রাতে ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মানব পাচারের একটি মামলায় বর্তমানে তিনি পুলিশি রিমান্ডে রয়েছেন।
শেখ মামুন খালেদকে আটকের পর ডিবি কর্মকর্তারা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...