বিজ্ঞাপন
আজ বুধবার (২০ মে) সকাল ১০টা থেকে ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই কার্যক্রম শুরু হয়। কোনো প্রকার অনিয়ম বা ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ ছাড়াই ৭২৫টি সুনির্দিষ্ট পরিবারের হাতে ১০ কেজি করে এই ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রীষ্মের তীব্র ও অসহনীয় গরম উপেক্ষা করেই সকাল থেকে প্রান্তিক মানুষ ভিড় জমান। অস্থায়ী কার্যালয়ে নানান সীমাবদ্ধতার মাঝে প্রচণ্ড রোদের মাঝেই সুবিধাভোগীরা অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্ত পরিবেশে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল সংগ্রহ করছেন। বিতরণস্থলে বিশৃঙ্খলা এড়াতে নারী ও পুরুষদের জন্য ছিল আলাদা লাইন। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগে চাল দেওয়া হয়। ভোটার হারের অনুপাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে সমহারে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে তৈরি করা স্বচ্ছ মাস্টার রোল অনুযায়ী এই চাল বণ্টন করায় প্রকৃত অভাবী মানুষেরাই এই সহায়তা পেয়েছেন।
গোবরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী সালাহ উদ্দিন বলেন, "বর্তমানে আমাদের গোবরা ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম একটি অস্থায়ী কার্যালয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই তীব্র গরমের মাঝে ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ, ওয়ার্ড মেম্বার এবং পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারের এই সুবিধা আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে যথা সময়ে বিতরণ করতে পারছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "স্থানীয় রাজনীতিতে অনেক সময় কাদা ছোড়াছুড়ি করা হয়, তবে আমরা এখানে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর ছিলাম। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নির্দেশনা মোতাবেক ঈদের পূর্বেই আমরা সুষ্ঠুভাবে এই চাল বিতরণ সম্পন্ন করতে পেরেছি।"
বিতরণ কার্যক্রমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন নিযুক্ত ট্যাগ অফিসার। তিনি নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিটি বস্তার সঠিক মাপ নিশ্চিত করেন। বিতরণকালে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ ছাড়াও অত্র ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন, যা বিতরণ প্রক্রিয়ায় দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিক সমতা ও নিরপেক্ষতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...