বিজ্ঞাপন
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে একজন হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আলফা উদ্দিনের ছেলে জাহের মিয়া (১৮)। দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপর নিহত ব্যক্তি হলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাগলী গ্রামের বোরহান উদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম (২৬)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই রক্তক্ষয়ী দুর্ঘটনায় আরও অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন— শান্তিগঞ্জ উপজেলার ঘাগলী গ্রামের মুছলেছ মিয়ার ছেলে আব্দুল জাহান (৪০) ও তাঁর আট বছর বয়সী কন্যাসন্তান লুৎফা (৮) এবং ছাতক উপজেলার জাউয়া ইউনিয়নের গনিপুর গ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে তৌরিজ মিয়া (৫২)। আহত অপর একজনের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁদের উদ্ধার করে শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর নিহত ও আহতদের প্রত্যেকের পরিচয় শনাক্তের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এদিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মাঝে চলছে শোকের মাতম। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আহসানমারা ব্রিজ সংলগ্ন এই সড়কে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। প্রশাসন দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ বা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এখানে আরও বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...