বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্স’-এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর তাঁর বক্তব্যে বলেন, “টেকসই পরিকল্পনা, স্থানীয় কমিউনিটির অংশগ্রহণ এবং একাডেমিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে রাঙ্গামাটি তার অনন্য পরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখে বাংলাদেশের জাতীয় পর্যটন ভিশনে অর্থবহ অবদান রাখতে পারে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, রাঙ্গামাটির পর্যটন খাত পরিবহন, আতিথেয়তা, হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে স্থানীয় জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে রাঙ্গামাটির সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পর্যটন শিল্প এখানে আদিবাসী জ্ঞান, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা এই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...