Logo Logo

সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ: গবিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ


Splash Image

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্বপালন সংক্রান্ত ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।


বিজ্ঞাপন


রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৪১৭-নং কক্ষে চলাকালীন ফাইনাল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ৪ জন শিক্ষার্থীকে এক্সপেইল করেন পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা। এ ঘটনার পরে উক্ত পরীক্ষার হলে দায়িত্বে থাকা ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় শিক্ষকের প্রতি মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রতিবাদ মিছিলে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষকের নামে অবমাননা এবং অপপ্রচার চালানোর সাথে যুক্ত ব্যাক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে একাডেমিক শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং যেসকল ফেসবুক পেইজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান নষ্ট ও শিক্ষকদের সম্মানহানী করে আগামী ১ কর্মদিবসের মধ্যে সেসকল পেইজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এসময় তারা, 'শিক্ষকের অপমান, মানি না মানবো না', 'নকলের শাস্তি ন্যায় সঙ্গত, ন্যায় সঙ্গত' সহ আরো স্লোগান দিতে থাকে।

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহজাহান সম্রাট বলেন, 'যেসব পেইজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আমাদের আন্দোলন আরো বেগবান হবে। আজ শুধু ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষকদের জন্য নয় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য এ আন্দোলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।' ফার্মেসি বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুর রহিম বলেন, 'পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীর কাছে মোবাইল থাকা এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ জনিত অপরাধ। একজন শিক্ষক যখন এই অপরাধের শাস্তি দেয় এটা তার দায়িত্ব, সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সে যদি অপরাধী হয় তাহলে আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষা দুটো'ই নষ্ট হচ্ছে। আমরা আরো কড়া ভাবে বলতে চাই শিক্ষক যখন নকলের সাজা দিবে তখন সেই শিক্ষক শিক্ষার্থী বিরোধী হয়ে যাচ্ছে ব্যাপার টা এরকম নয়।

পরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, 'শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং যেসকল পেইজের মাধ্যম অপপ্রচার-অবমাননা চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...