ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের হলফনামার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়। সুজন সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঋণগ্রহীতা প্রার্থীদের মধ্যে ৭৫ জন রয়েছেন যারা পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন। এই সংখ্যাটি মোট ঋণগ্রহীতা প্রার্থীর ১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তবে গত নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে ঋণগ্রহীতা প্রার্থীর হার কিছুটা কমেছে বলে জানানো হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেখানে এই হার ছিল ২২ দশমিক ৮৩ শতাংশ, এবার তা দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৯৩ শতাংশে।
সুজনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে বড় বড় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের আধিক্য বাড়ায় ঋণের এই পরিসংখ্যানটি সামনে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে বড় অংকের ঋণ থাকলেও খেলাপি হওয়ার তথ্য গোপনের প্রবণতা থাকে কি না, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তবে হলফনামায় দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সুজন।
সম্মেলনে অধ্যাপক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য জনগণের সামনে আসা অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে ভোটাররা বুঝতে পারেন তারা কাদের নির্বাচিত করতে যাচ্ছেন এবং প্রার্থীদের আর্থিক অবস্থার প্রকৃত চিত্র কেমন। সুস্থ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থে প্রার্থীদের দেওয়া তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের ওপরও জোর দেয় সুজন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...