বিজ্ঞাপন
সংস্থাটির পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মন্তব্য করেছেন, আইনি ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এই গণভোটের ফলাফল নিয়ে জনমনে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন উঠতে পারে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
‘নির্বাচনী এলাকায় সবুজ সমাজের পরিস্থিতি ও প্রত্যাশা: প্রার্থী ও ভোটার জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করা হয়।
গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বর্তমানে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেও জাতীয় নির্বাচন যে মাত্রায় অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়া প্রয়োজন ছিল, বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে গণভোটের আইনি দিকগুলো পর্যাপ্ত শক্তিশালী না হওয়ায় এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই বাস্তবতায় বর্তমান সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে সিপিডি।
থিংক ট্যাংকগুলোর ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি জানান, সিপিডিসহ বিভিন্ন সংস্থা দলগুলোর ইশতেহার নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করে থাকে। ইশতেহারে বড় দলগুলোর মধ্যে পার্থক্যের জায়গা এবং গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয়গুলো বাদ পড়েছে, তা ভোটারদের সামনে তুলে ধরা হয়। এবারের নির্বাচনেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সিপিডির এই বিশেষ গবেষণাটি সারা দেশের পরিবেশ ও দুর্যোগপ্রবণ ১৫০টি নির্বাচনী এলাকায় পরিচালনা করা হয়েছে। গবেষণায় ৪৫০ জন প্রার্থী এবং ১ হাজার ২০০ জন ভোটার সরাসরি অংশ নেন। জরিপের মাধ্যমে ‘সবুজ সমাজ’ গঠনের বর্তমান পরিস্থিতি এবং পরিবেশ রক্ষায় ভোটারদের প্রত্যাশার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...