বিজ্ঞাপন
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আবাসিক ইমারত নির্মাণের জন্য পৌরসভা থেকে প্রাথমিক অনুমোদন নিলেও কাজ করার সময় অনুমোদিত সাইট প্লান অমান্য করেন। তিনি নকশা বহির্ভূতভাবে রাস্তার ওপর ইমারতের অংশ সম্প্রসারণ করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এটি স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
জারি করা নোটিশে উল্লেখ করা হয়, এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখেও তাকে অবৈধ অংশ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখায় এবার চূড়ান্ত আলটিমেটাম দেওয়া হলো। আগামী ৭ দিনের মধ্যে বর্ধিত অংশ না সরালে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পৌরসভা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মেডিকেল কলেজ রোড বাইলেনসহ আশপাশের এলাকায় রাস্তার ওপর অবৈধ নির্মাণের কারণে নিয়মিত যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এই সংকীর্ণ রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলেও পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। তারা জনস্বার্থে দ্রুত এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রেন্টু মিয়া জানান, পৌরসভার এই নোটিশ ভিত্তিহীন। তার দাবি, তিনি নিজের দলিলকৃত সম্পত্তির ওপরই অবকাঠামো নির্মাণ করছেন এবং কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়নি।
পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে তারা 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে। অনুমোদনবিহীন বা নকশা বহির্ভূত যেকোনো নির্মাণের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...