বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মজিবর মিয়ার বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম মোহাম্মদ আরিফ (২৫)। তিনি এসিআই প্লাস্টিক কোম্পানির জেলা প্রতিনিধি হিসেবে ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। অন্যদিকে আত্মহত্যা করা ব্যক্তির নাম মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), যিনি পেশায় একজন ড্রাইভার এবং আরিফের পাশের কক্ষেই ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় আরিফ নিজ কক্ষে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ জাহাঙ্গীর আলম ধারালো দা নিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করেন এবং তাকে জিম্মি করে লোক ডাকতে বলেন। একপর্যায়ে আরিফ দরজা খোলার চেষ্টা করলে জাহাঙ্গীর তাকে পেছন থেকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন। এতে আরিফের মাথা ও হাতে গুরুতর জখম হয়। জীবন বাঁচাতে আরিফ কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে দেয়াল টপকে রাস্তায় গিয়ে সাহায্য চাইলে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হামলার ঘটনার পর জাহাঙ্গীর আলম নিজের কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্যানের সাথে গামছা পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, প্রতিবেশী যুবককে কুপিয়ে আহত করার পর জাহাঙ্গীর নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই আতিকুর রহমান ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঠিক কী কারণে জাহাঙ্গীর এই হামলা চালিয়েছেন তা এখনো স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...