বিজ্ঞাপন
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জামায়াতে ইসলামীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও উদাসীনতার অভিযোগ তোলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দাঁড়িয়ে পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুন্নবী তালুকদার অভিযোগ করেন, নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগের বিষয় নিয়ে গত মঙ্গলবার ফরিদপুর ইউনিয়নের গাজীতলা বাজারে একটি ঘরোয়া আলোচনা সভা চলছিল। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের প্রায় ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মিরাজ, মঞ্জুর ইসলাম আজাদী ও রমিজ সিকদারসহ জামায়াতে ইসলামীর ৭-৮ জন কর্মী গুরুতর আহত হন। এছাড়া গারুড়িয়া ইউনিয়নের দেউলি গ্রামেও এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
মাহমুদুন্নবী তালুকদার আরও জানান, প্রতিপক্ষের ক্রমাগত হামলা ও হুমকির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বারবার সহযোগিতা চাওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এমন রহস্যজনক নীরবতায় সাধারণ ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নির্বাচনী প্রচারণায় অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল ইসলাম মোল্লা একজন বিএনপি সমর্থক এবং প্রার্থীর নিকটাত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও তার একটি ভিডিও ব্যবহার করে জামায়াতের বিরুদ্ধে টাকা বিতরণের মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এটি মূলত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটি অপকৌশল মাত্র।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে তিনি আগামীকালকের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করার লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং পেশাদার ভূমিকা পালন করার জোর আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কমিশন সব ধরনের প্রভাবমুক্ত থেকে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...