বিজ্ঞাপন
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন খাইরুল সিকদার (৪০), তাঁর তিন ভাই জামিরুল সিকদার (৩৫), রেজাউল সিকদার (৩০) ও ইকরামুল সিকদার (২৪), খাইরুলের স্ত্রী মুক্তা বেগম (৩৮) এবং তাঁদের মা কুলসুম বেগম (৫৫)।
ভুক্তভোগী খাইরুল সিকদারের অভিযোগ, একই গ্রামের রুহুল সিকদারের ছেলে জুয়েল সিকদার দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গত সপ্তাহে তিনি জুয়েলের মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে তাঁকে ও তাঁর ভাইদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন খাইরুল।
খাইরুল সিকদার বলেন, ওই ঘটনার জের ধরে শনিবার রাতে তিনি ও তাঁর তিন ভাই বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় জুয়েল সিকদারের নের্তৃত্বে রুলু সিকদার, ইউনুস সিকদার, আসসাব সিকদার, আমানত সিকদার, ইউসুফ সিকদার, সিয়াম সিকদার, ইয়ামুল সিকদার, রাফিন সিকদার ও রুপসি বেগমসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা চাপাতি, রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে তাঁদের কুপিয়ে ও মারধর করে আহত করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় তাঁর স্ত্রী মুক্তা বেগম ও মা কুলসুম বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও মারধর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের নড়াইল জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জুয়েল সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...