বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু নাছের রায়হান। আহত ইয়াছিন ঘরামী উপজেলার দক্ষিণ চেঁচরী গ্রামের খোকন ঘরামীর ছেলে এবং অভিযুক্ত সিফাত মুন্সি একই এলাকার মো. অরুন মুন্সির ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন ও সিফাতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল শনিবার বিকেলে ১ নম্বর চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চেঁচরী জমাদ্দার হাট বাজারে তাঁদের দেখা হলে উক্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সিফাত তাঁর কাছে থাকা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে ইয়াছিনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন।
ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় ইয়াছিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (আমুয়া) ভর্তি করান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে তরুণকে ছুরিকাঘাতের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকা জুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত সিফাত মুন্সিকে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে কাঁঠালিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু নাছের রায়হান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সিফাত মুন্সির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...