বিজ্ঞাপন
স্থানীয়রা জানান, রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, জ্বালানো কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই গোয়ালঘরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গোয়ালঘরের ভেতরে থাকা গবাদিপশুগুলো বের করে আনা সম্ভব হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দবিবুর রহমান বলেন, গবাদিপশুগুলোই ছিল তাঁর পরিবারের আয়ের অন্যতম অবলম্বন। এগুলোকে কেন্দ্র করেই সংসারের খরচ চলত। এক রাতের আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, গবাদিপশুগুলো হারিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য তাঁর নেই। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি সহযোগিতার আশায় রয়েছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী শরিফুল ইসলাম বলেন, একটি অসহায় পরিবারের জীবিকার অবলম্বন এভাবে আগুনে পুড়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অগ্নিকাণ্ডের পর শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুড়ে যাওয়া গোয়ালঘর ও ছাইয়ের স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা যায়। গোয়ালঘরের পাশে পড়ে থাকা গবাদিপশুর অবশিষ্টাংশ দেখে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...