বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে ‘পাবনা-১’ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলে ‘পাবনা-২’ আসন হিসেবে নির্বাচনের কার্যক্রম চলবে।
পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভাকে বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার ইসির গেজেটকে ইতিপূর্বে অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। আপিল বিভাগ আজ হাইকোর্টের সেই রায় স্থগিত করে ইসির গেজেটকে বহাল রেখেছেন।
আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
এর আগে, সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে গত ১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছিল ইসি। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যথাসময়ে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।
গত ২৪ ডিসেম্বরের গেজেট অনুযায়ী, পাবনা-১ আসনে সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া উপজেলার একটি নির্দিষ্ট অংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। অন্যদিকে পাবনা-২ আসনে সুজানগর উপজেলার সঙ্গে বেড়া উপজেলার অবশিষ্ট অংশ যুক্ত করা হয়েছিল। হাইকোর্ট গত ১৮ ডিসেম্বর এই গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করে আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছিল, যা আজ আপিল বিভাগের আদেশে পরিবর্তিত হলো।
আপিল বিভাগের আজকের আদেশের ফলে ৪ সেপ্টেম্বরের গেজেট অনুযায়ী সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত হবে পাবনা-১ আর সুজানগর উপজেলা এবং বেড়া উপজেলার (পাবনা-১ এর অংশ ব্যতীত) বাকি অঞ্চল নিয়ে গঠিত হবে পাবনা-২।
এই আদেশের মাধ্যমে পাবনার এই দুটি আসনে নির্বাচনী ডামাডোল আবারও শুরু হলো। ইসি জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...