বিজ্ঞাপন
নিহত আয়ান ওই গ্রামের নাঈম মিয়া ও হনুফা আক্তার দম্পতির আদরের সন্তান। যে বয়সে তার হাসি-কান্নায় মুখর থাকার কথা ছিল পুরো ঘর, সেই ছোট্ট প্রাণটি নিভে গেল এক মুহূর্তের অসাবধানতায়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটির মা ঘরের ভেতরে দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় সবার অজান্তে খেলতে খেলতে আয়ান ঘরের পাশের পুকুরের দিকে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠায় চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
দ্রুত তাকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আয়ানকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের সেই মুহূর্তটি ছিল স্বজনদের জন্য অসহনীয়—মায়ের বুকফাটা আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় গুদিঘাটা গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, আয়ান ছিল সবার আদরের। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটির ওপর নেমে এসেছে অসীম শোক আর শূন্যতা।
স্থানীয়রা শিশুদের নিরাপত্তায় আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যেন এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা আর না ঘটে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...