বিজ্ঞাপন
নবনির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধির কাছে এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনেক। নির্বাচনের পর প্রতিক্রিয়ায় এস এম জিলানী উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি কর্মমুখী উন্নয়নে জোর দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেন, এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে, তবে পরিকল্পিতভাবে কর্মসংস্থানভিত্তিক উন্নয়ন হয়নি। “কল-কারখানা স্থাপন করে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব,”—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি মাদক নির্মূল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও নারী উন্নয়নেও কাজ করার কথা জানান।
শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী গ্রামের নিজ বাড়িতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এস এম জিলানী বলেন, ভোট চাইতে তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন। বড় মিছিল বা প্রদর্শনী নয়, প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, সাধারণ মানুষ তাঁকে আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই সম্পর্ক অটুট থাকবে।
রাজনৈতিক সহনশীলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রতিপক্ষের প্রতি পজিটিভ রাজনীতির আহ্বান জানান। “মানুষের কাছে যান, মানুষ গ্রহণ করলে আমরাও ওয়েলকাম জানাবো,”—বলেন তিনি। ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার ব্যাপারেও দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করে এস এম জিলানী বলেন, নানা চাপ ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে জনগণ তাঁকে ভোট দিয়েছেন, সেই সম্মানের মর্যাদা রাখতে তিনি কাজ করে যাবেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এস এম জিলানী পেয়েছেন ৬০ হাজার ১৬৩ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নতুন সংসদ সদস্য কত দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...