বিজ্ঞাপন
মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মো. আল-আমিন। দোয়া-মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা নেতাকর্মীদের নৈতিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। “আমরা নির্বাচনে জয়ী হয়ে কোনো উল্লাসে মেতে উঠতে চাই না; বরং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করার অঙ্গীকার করছি,”—বলেন তিনি।
নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করা, গণতন্ত্রের মূল্যবোধ সুসংহত করা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়াই হবে তাঁদের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার। তিনি নেতাকর্মীদের মানুষের পাশে থেকে জনসেবামূলক কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান এবং দেশ ও জাতির জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনে বিজয়ের পর উল্লাস পরিহার করে দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন একটি প্রতীকী বার্তা বহন করে। এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সংযম ও মূল্যবোধের চর্চাকে উৎসাহিত করতে পারে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে পর্যায়ক্রমে দোয়া ও মিলাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এমন উদ্যোগ সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতার বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ ধরনের কর্মসূচি তাৎপর্যপূর্ণ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...