বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এম এইচ খান মঞ্জুর নিজস্ব বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সদস্য মো. জামাল উদ্দিন শেখ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। বক্তব্যে জানানো হয়, ‘হরিণ’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও একটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, এম এইচ খান মঞ্জুর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডা. কে এম বাবর আলী ও তার সমর্থকরা নানা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন। জামাল উদ্দিন শেখ দাবি করেন, ডা. বাবর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে থানা পাড়া এলাকায় সরকারি জায়গা ও খালের ওপর ভবন নির্মাণ করে ক্লিনিক পরিচালনা করছেন এবং খালের ভেতরে বর্জ্য ফেলে পরিবেশের চরম ক্ষতি করছেন। এছাড়া ওই ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে মা ও শিশু মৃত্যুর মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে সাধারণ ভোটারদের মামলা ও হামলার ভয় দেখিয়ে এলাকাছাড়া করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জেলা প্রশাসন স্কুলের সামনে রঙিন বিলবোর্ড, পোস্টার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে বিধি ভঙ্গ করা হচ্ছে, যা শহরের সৌন্দর্যও নষ্ট করছে। এছাড়া ইতঃপূর্বে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ডা. বাবরের বাসা থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন বক্তারা।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হামলা বা মামলার ভয় দেখিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এইচ খান মঞ্জুকে জনগণের ভালোবাসা থেকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব নয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জের মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে সকল অপকর্ম ও অনিয়মের উপযুক্ত জবাব দেবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...