বিজ্ঞাপন
একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন নৌবাহিনী এই মহড়া শুরু করেছে। তেহরানের এই পদক্ষেপ পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনাকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
সামরিক সূত্রমতে, গত ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে যাত্রা শুরু করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং এর সহযোগী তিনটি ‘আর্লে বার্ক-শ্রেণির’ ডেস্ট্রয়ার গত সপ্তাহে ইরান উপকূলের অদূরে অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন এই বিশাল নৌ-বহর মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানকে সরাসরি চাপে রাখার কৌশল নেয় ওয়াশিংটন।
এমন থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে ইরান শনিবার রাতে ঘোষণা করে, রোববার ও সোমবার হরমুজ প্রণালিতে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিল’ বা সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া চালানো হবে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে ইরানের এমন সক্রিয় অবস্থানকে ওয়াশিংটনের হুমকির সরাসরি জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম সংকীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। এখানে সামান্য অস্থিরতা তৈরি হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ইরান সেই কৌশলগত সুবিধা কাজে লাগিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তেহরানের এই অনড় অবস্থানের ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...