বিজ্ঞাপন
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল আটটা থেকে নতুন করে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। এর আগে গতকাল শনিবার দিনভর শ্রমিক দলের ডাকা ধর্মঘটে বন্দর অচল থাকার পর মধ্যরাতে বন্দর এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সিএমপি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত একই ইস্যুতে আন্দোলন জোরদার হলে সিএমপি মিছিল-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।
বর্তমান কর্মবিরতির কারণে বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনালের জেটিতে জাহাজ থেকে কার্গো ও কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি) টার্মিনালের বার্থ অপারেটররা জানিয়েছেন, শ্রমিকরা কাজে না আসায় জিসিবি জেটিতে অবস্থানরত একটি কনটেইনারবাহী জাহাজসহ মোট চারটি জাহাজের পণ্য খালাস কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে আছে।
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সংবাদমাধ্যমকে জানান, জিসিবি, সিসিটি এবং এনসিটিসহ সবকটি টার্মিনাল বর্তমানে অচল। আন্দোলনকারীরা আজ প্রশাসনিক কার্যক্রমেও আট ঘণ্টার পৃথক কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে শনিবারের আন্দোলনের জেরে বন্দরের চারজন শ্রমিক-কর্মচারীকে পানগাঁও আইসিটিতে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মচারীরা হলেন— অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির, নৌ বিভাগের ১ম শ্রেণির ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উচ্চ হিসাব সহকারী মো. আনোয়ারুল আজিম এবং প্রকৌশল বিভাগের এস এস খালাসী মো. ফরিদুর রহমান। তারা সবাই শ্রমিক দলের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...