বিজ্ঞাপন
শনিবার সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে এবং হজযাত্রীদের সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৌদি সরকার এই আগাম ভিসা ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হজ কার্যালয়গুলো হাতে পর্যাপ্ত সময় পাবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও লজিস্টিক প্রস্তুতি আগেভাগেই সম্পন্ন করতে পারবে।
মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল গত বছরের ৮ জুন থেকে। সেই সময় থেকেই বিভিন্ন দেশের হজ অফিসগুলোকে পরিকল্পনার প্রাথমিক নথি ও দিকনির্দেশনা পাঠানো হয়। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক মাসার’-এর মাধ্যমে ইতিমধ্যে পবিত্র মক্কা ও মদিনার তাবুসহ আবাসন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭ হিজরি থেকে হজযাত্রীদের আবাসন এবং অন্যান্য মৌলিক সেবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি শুরু হবে। সময়ের অনেকটা আগে এই প্রক্রিয়া শুরু করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলা এড়ানো এবং হজযাত্রীদের জন্য একটি আরামদায়ক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য যে, সৌদি আরব প্রতি বছরই হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে হজ কার্যালয়গুলো তাদের হজযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বুকিং করতে পারছে। আগাম এই ভিসা কার্যক্রম শুরুর ফলে বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: গালফ নিউজ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...