বিজ্ঞাপন
সকাল থেকেই বন্দরের তিনটি প্রধান টার্মিনাল—জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি), চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) এবং নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) পুরোদমে কাজ চলছে। জাহাজ থেকে পণ্য ও কনটেইনার ওঠানো-নামানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবন ও বহির্নোঙরেও চঞ্চলতা ফিরে এসেছে।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর পক্ষ থেকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এনসিটির চুক্তি হবে না—এমন আশ্বাসের প্রেক্ষিতেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।
সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির একে শ্রমিকদের 'প্রাথমিক বিজয়' হিসেবে অভিহিত করে জানান, নির্বাচন ও রোজার পণ্য খালাসের স্বার্থে তারা কাজে যোগ দিয়েছেন।
তবে ধর্মঘট স্থগিত হলেও আন্দোলনকারীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তাদের দাবি, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার, শাস্তিমূলক বদলি ও ১৬ কর্মচারীর সাময়িক বরখাস্তের মতো পদক্ষেপগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। এসব সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। সাত দিনের অচলবস্থার ফলে যে ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে বন্দরের স্থবিরতা কেটে যাওয়ায় বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দেশের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে দ্রুততার সাথে পণ্য খালাসের কাজ এগিয়ে চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...