জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও লেখক ড. মিজানুর রহমান আজহারী। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই আহ্বান জানান।
ড. আজহারী বলেন, ১৮ কোটি মানুষ একটি কাঙ্ক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব এবং পক্ষপাতহীন আচরণই পারে বাংলাদেশকে এক নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে। ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে আন্তরিক সদিচ্ছা নিয়ে দায়িত্ব পালন করলে তাদের নাম জাতির সূর্য সন্তানদের তালিকায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে সাধারণ মানুষ দীর্ঘ দেড় যুগ পর তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। তাই গুজব, উসকানি ও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের আবহ এড়িয়ে সচেতন ও সংযমী হয়ে দেশের ভবিষ্যৎ গতিধারা নির্ধারণে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। রাজনৈতিক মতভিন্নতা যেন কোনোভাবেই সহিংসতা বা পারস্পরিক প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।
সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আজহারী বলেন, রাজনৈতিক কারণে আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুর সঙ্গে সুসম্পর্ক নষ্ট করা উচিত নয়। ভিন্নমতকে অসম্মান না করে এবং ক্ষুদ্র স্বার্থে কাউকে তুচ্ছজ্ঞান না করে সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি মানবিক সমাজ গড়ার ওপর তিনি জোর দেন।
রাজনীতিবিদদের উদ্দেশে এই লেখক বলেন, সাধারণ মানুষ এখন ট্যাগিং, ব্যাশিং এবং চেতনা বিক্রির রাজনীতির অবসান চায়। দোষারোপের পরিবর্তে নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরার প্রতিযোগিতা করার পরামর্শ দেন তিনি।
তার মতে, বিভক্তির রাজনীতি কারো জন্যই কল্যাণ বয়ে আনে না, বরং ইতিবাচক ধারার রাজনীতিই জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে।
ভোটকে একটি পবিত্র 'আমানত' হিসেবে উল্লেখ করে ড. আজহারী সবাইকে বিবেক ও ন্যায়বোধের সঙ্গে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে নির্বাচনের মাধ্যমে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন, জাতীয় স্বার্থে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে তাদের সহযোগিতা করারও আহ্বান জানান তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...